নেভার হ্যাভ আই এভার

নেভার হ্যাভ আই এভার অনলাইন: কয়টা আঙুল নামাতে হবে তোমাকে?

নেভার হ্যাভ আই এভার খেলো

সাইনআপ নেই · যেখানে খুশি শেয়ার করো

দশ আঙুল তুলে বসো। একজন পড়বে 'আমি কখনো ভুল মানুষকে মেসেজ পাঠাইনি', আর যারা পাঠিয়েছে তারা একটা আঙুল নামাবে। যার আঙুল সবার আগে শেষ, তার গল্পই সেই রাতের সেরা। এই নেভার হ্যাভ আই এভার অনলাইন ভার্সনে ৯০টা বাক্য আছে, তিন লেভেলে: ফ্রেন্ডস, পার্টি আর স্পাইসি। বাক্য ভাবতে হয় না, শুধু ফোনে ট্যাপ করো আর পরের কার্ড পড়ো।

এখানে একটা ছোট গণনার সুবিধাও আছে: প্রতিটা কার্ডে কে কে আঙুল নামাল তা টিক দিলে স্ক্রিন নিজেই হিসাব রাখে, তাই 'তুই তো চারটা নামিয়েছিস' নিয়ে তর্ক থামে। পুরোটা ফ্রি, ব্রাউজারে চলে, কোনো অ্যাপ বা অ্যাকাউন্ট লাগে না।

নতুন বন্ধুদের চেনার জন্য, পুরনো বন্ধুদের গোপন কথা বের করার জন্য, বা শুধু বিয়ের আগের রাতে হাসতে হাসতে গড়িয়ে পড়ার জন্য এটা সবচেয়ে সহজ খেলা।

1 লেভেল বেছে নাও: ফ্রেন্ডস, পার্টি বা স্পাইসি
2 বাক্যটা জোরে পড়ো
3 যারা করেছে, তারা করেছি ট্যাপ করে বা একটা আঙুল নামায়

নেভার হ্যাভ আই এভার আসলে কেমন খেলা?

নিয়মটা এক লাইনের: একটা বাক্য পড়া হয় যা 'আমি কখনো ... করিনি' দিয়ে শুরু, আর যারা সেটা করেছে তারা স্বীকার করে, সাধারণত একটা আঙুল নামিয়ে। খেলার আসল মজা স্বীকারোক্তির পরে: 'কখন? কার সাথে? বল!' এবং তারপরের গল্প।

এটা প্রশ্নোত্তরের খেলা নয়, স্বীকারোক্তির খেলা। তাই যে দল যত সৎ, খেলা তত জমে, আর যে দল যত পুরনো, গল্প তত বেশি বের হয়।

নেভার হ্যাভ আই এভারের ছবি: চোখ ঢাকা একটি বানর, একটি তোলা হাত, একটি ট্রপিক্যাল ড্রিংক আর হাত তোলা একজন নারী

ফোনে এটা কীভাবে খেলব?

পেজ খুলে একটা লেভেল বাছো, তারপর প্রথম কার্ডটা জোরে পড়ো। যারা কাজটা করেছে তারা আঙুল নামায় বা হাত তোলে। চাইলে স্ক্রিনে তাদের নামে টিক দাও, তাহলে একদম শেষে কে কতবার ধরা পড়ল তার তালিকা পাবে। 'পরের কার্ড' চাপলে নতুন বাক্য আসে আর পড়ার দায়িত্ব পাশের জনের কাছে যায়।

ফোন একটাই দরকার, কিন্তু সবাই নিজের ফোনে খুললেও একই লেভেলে একই কার্ড পড়া যায়।

নেভার হ্যাভ আই এভারের বাক্যগুলো কেমন?

৯০টা বাক্য তিন লেভেলে ৩০টা করে। ধরনটা বোঝাতে কয়েকটা:

  • আমি কখনো ক্লাসে বা মিটিংয়ে ঘুমিয়ে পড়িনি।
  • আমি কখনো না জানা গান জানার ভান করে বিড়বিড় করিনি।
  • আমি কখনো রাতে চুপিচুপি বাড়ি থেকে বের হইনি।
  • আমি কখনো কোথায় যাচ্ছি তা নিয়ে বন্ধুকে মিথ্যা বলিনি।
  • আমি কখনো নেশার ঘোরে এক্সকে মেসেজ করিনি।

আঙুল গোনা ছাড়া আর কীভাবে খেলা যায়?

আঙুলের বদলে পয়েন্ট দেওয়া যায়: যে স্বীকার করে সে এক পয়েন্ট পায়, আর শেষে সবচেয়ে বেশি পয়েন্টওয়ালা একটা ডেয়ার করে। কেউ কেউ উল্টো খেলে, যে কিছুই করেনি সে ছোট একটা শাস্তি পায়, কারণ 'এত সাধু হওয়া সন্দেহজনক'। চা বা কোল্ড ড্রিংকের চুমুক দিয়েও খেলা যায়, যদিও তখন খেলাটা একটু ধীরে চলে।

নেভার হ্যাভ আই এভার এখানে কোথায় খেলা হয়?

হলের রুমে নতুন ব্যাচ উঠলে, বিয়ের গায়ে হলুদের আগের রাতে কাজিনরা জড়ো হলে, অফিসের ট্যুরে বাস যখন সিলেটের পাহাড়ে ঢোকে, তখন কেউ না কেউ এই খেলা তোলে। কারণ এতে একটা দল দ্রুত খোলে: আধা ঘণ্টায় সবাই সবার অন্তত একটা গোপন কথা জেনে যায়।

গ্রুপ চ্যাটেও এটা চলে, একজন একটা বাক্য পেস্ট করে আর বাকিরা আঙুলের ইমোজি দিয়ে জবাব দেয়। শেষে কে সবচেয়ে বেশি আঙুল নামিয়েছে, সেটা বন্ধুমহলে একটা উপাধি হয়ে যায় আর পরের ট্যুর পর্যন্ত থাকে।

নেভার হ্যাভ আই এভার অনলাইন নিয়ে সাধারণ প্রশ্ন

নেভার হ্যাভ আই এভার খেলতে কমপক্ষে কতজন লাগে?

তিনজন হলেই খেলা যায়, তবে পাঁচ-ছয়জনে সবচেয়ে ভালো জমে, কারণ তখন প্রতিটা বাক্যে অন্তত একজন ধরা পড়ে। দুজনে খেললে এটা আর খেলা থাকে না, হয়ে যায় একটা লম্বা স্বীকারোক্তি, যদিও নতুন জুটির জন্য সেটাও মন্দ নয়।

তিনটা লেভেলের মধ্যে পার্থক্য কী?

ফ্রেন্ডস লেভেলে কাচের দরজায় ধাক্কা খাওয়া বা বাচ্চাদের সিনেমা দেখে কাঁদার মতো নিরীহ কথা। পার্টি লেভেলে রাতের আড্ডা, নকল আইডি আর নেশার গল্প। স্পাইসি লেভেলে সম্পর্ক আর শারীরিক বিষয়, শুধু প্রাপ্তবয়স্ক আর কাছের দলের জন্য।

স্ক্রিনের গণনাটা ঠিক কী করে?

প্রতিটা কার্ডে খেলোয়াড়দের নামের পাশে একটা টিক থাকে। যারা স্বীকার করল তাদের টিক দাও, আর খেলা শেষে একটা তালিকা আসে: কে কয়বার ধরা পড়ল। এতে আঙুল গোনার ভুল হয় না আর তর্ক কমে।

নেভার হ্যাভ আই এভারের বাক্যগুলো কি নিজে যোগ করা যায়?

এই ভার্সনে বাক্য যোগ করার জায়গা নেই, তবে ৯০টা কার্ড এক রাতে শেষ করা কঠিন। নিজেদের বিশেষ কিছু বলতে চাইলে কার্ডের মাঝে মাঝে মুখে বলে দাও; নিয়ম তো তোমাদেরই।

অফিসের কলিগদের সাথে খেলা কি ঠিক হবে?

ফ্রেন্ডস লেভেলে অনায়াসে। মিটিংয়ে ঘুমানো বা জন্মদিন ভুলে যাওয়ার মতো বাক্যে হাসি হয়, চাকরি যায় না। পার্টি লেভেল তখনই, যখন টিমটা সত্যি কাছের আর বসের সামনে নয়।

কেউ স্বীকার না করে মিথ্যা বললে?

সেটাই খেলার অংশ। সাধারণত দলের কেউ না কেউ জানে আর 'তুই তো...' বলে ধরে ফেলে, আর সেই ধরা পড়াটাই সবচেয়ে বড় হাসির মুহূর্ত। যে বারবার ধরা পড়ে তার জন্য একটা শাস্তি ঠিক করে রাখলে সততা বাড়ে।

আমাদের অন্য টেস্টগুলোও দেখো

সব কুইজ →